
রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ইন্টারপোলকে রেড নোটিশ দিয়ে হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার।
এর আগে গত ১০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতে পালিয়ে আসা আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের রেড নোটিশের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে চিঠি দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনাল মামলা।
পরে ১২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন সংস্থার পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ১৭ অক্টোবর জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। অন্য যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হলেন শেখ হাসিনার বোন। শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভার সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, দিপু। মনি, আ ক ম মোজাম্মেল হক, শেখ হাসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়, সাবেক মন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শেখ সেলিম, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, শেখ ফজলে শামস পরশ, সাবেক ড. আইজিপি আবদুল্লাহ মামুন, ডিবি হারুন, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার, প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার, সাবেক ডিএমপি হাবিবুর রহমান, সাবেক র্যাব ডিজি হারুন অর রশিদ, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান, শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা তারেক আনাম সিদ্দিকী, বিচারপতি মানিক, ড. জাফর ইকবাল, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামসহ ৪৬ জন।
গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. অপর দুইজন হলেন বিচারপতি মোঃ শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোঃ মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এর আগে পৃথক মামলায় ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন প্রধান কৌঁসুলি তাজুল ইসলাম।